October 20, 2021

Sylhet Amar Sylhet

www.sylhetamarsylhet.com

করোনা থেকে সেরে উঠলেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তিটিও!

অনলাইন ডেস্ক :facebook sharing button

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে প্রতিদিন প্রাণ হারাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন বয়সী হাজার হাজার মানুষ। এর মধ্যে এবার মরণ ভাইরাস করোনা থেকে মুক্তি মিলেছে ইথিওপিয়ার ১০০ বছরেরও বেশি বয়সী এক বৃদ্ধের। বিবিসি বলছে, তিনি সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ মানুষ হতে পারেন।

ওই বৃদ্ধের স্বাস্থ্য সেবাদানকারী চিকিৎসক বিবিসিকে জানায়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর কমপক্ষে ১০০ বছরের বেশি বয়সী এক বৃদ্ধ অবিশ্বাস্য ভাবে সেরে উঠেছেন। বর্তমানে বাড়িতেই শতবর্ষী ওই ব্যক্তির দেখাশুনা করছেন তার নাতি।

ওই বৃদ্ধের পরিবারের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, তার পরিবার বলছে বৃদ্ধের বয়স ১১৪ বছর। তিনি সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি হয়ে উঠত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওই বৃদ্ধের কোনো জন্ম সনদ নেই।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা ভাইরাসে ৮০ বছরের বেশি বয়সের লোকেরা আক্রান্ত হলে তারাই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে বিবেচিত হন।

শতবর্ষী বৃদ্ধ আব্বা তিলাহুনের চিকিৎসক ড. হিলুফ আবাতে বিবিসিকে বলেন, করোনা ভাইরাস ধরা পড়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, কিন্তু তখন পর্যন্ত তার করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই চিকিৎসকদের একটি দল তার নিয়মিত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে।

ওই চিকিৎসক আরও বলেন, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার চার দিনের মাথায় আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। ১৪ দিনের মতো হাসপাতালেই ছিলেন, যার মধ্যে সাতদিন তাকে অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়েছিল।

ওই চিকিৎসক টিমটি বলছে, করোনা থেকে সেরে উঠা বৃদ্ধের বয়স অবশ্যই ১০০ বছরের বেশি হবে।

ওই বৃদ্ধকে চিকিৎসা দেওয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, তার বয়স ১১৪ বছর এটা নিশ্চিত নয়। তবে তার বয়স হবে ১০৯ বছরের মতো।

তিনি ১৯৩৫ থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত ইতালীয় দখল দেখেছিলেন। ১৯৭৪ সালে সম্রাট হেইল স্ল্যাসির উত্থান এবং ১৯৯১ সনের মার্কসবাদী ডের্গের পতন দেখেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি করোনা ভাইরাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।

২৪ বছর বয়সী নাতি বিনিয়াম লুলসেগড তিলাহুন বিবিসিকে জানিয়েছেন, তিনি যৌবণকালে বিদ্যুতের কাজ করত। ছোটকালে তিনি একজন গৃহকর্মী হিসেবেও কাজ করেছেন।