September 27, 2021

Sylhet Amar Sylhet

www.sylhetamarsylhet.com

টাঙ্গুয়ার হাওরের কৃষকের ধান কাটলেন আওয়ামীলীগ নেতা প্রভাষক সুয়েবুর রহমান সুয়েব সহ নেতাকর্মীবৃন্দ

করোনা প্রাদুর্ভাবের কারনে হাওরে ধান কাটার শ্রমিক সংকট দেখা দেয়া কৃষকরা অসহায় হয়ে পড়েন। এ পরিস্থিতিতে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরের কৃষকের ধান কেটে দিলেনে সিলেট মদন মোহন কলেজের প্রভাষক ও ধর্মপাশা উপজেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ সুয়েবুর রহমান সুয়েব সহ অর্ধ শতাধিক আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

আওয়ামীলীগ নেতা প্রভাষক সুয়েবুর রহমান সুয়েবের ধান কাটায় অংশ নেন মধ্যনগর থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন তালুকদার, আওয়ামীলীগ নেতা রুহুল আমিন খাঁন, মুক্তিযোদ্ধা ইউনুছ মিয়া, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি চন্দন কানু, রবিন মজুমদার, সভাপতি মধ্যনগর ইউপি ছাত্রলীগ, ছাত্রলীগনেতা নাজমুস সাকিব জয়, কৃষক নজরুল ইসলাম, আব্দুল জব্বার খাঁন, খোর্শেদ আলম, শাহ আলম, মাসুক চৌধুরী, মহনসিন, স্বপন মিয়া, মাসুদ, স্বপন প্রমুখ।

আওয়ামীলীগ নেতা প্রভাষক সুয়েবুর রহমান সুয়েব ব্যক্তিগত উদ্যোগে কৃষকদের উৎসাহিত করতে কৃষদের মধ্যে নগদ টাকা, গামছা ও কাস্তে বিতরণ করেন। সুয়েব তাঁর মাসিক বেতন এবং পরিবার থেকে জনকল্যাণে খাদ্য সহায়তা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও অন্যান্য ব্যয় বহন করে যাচ্ছেন।

প্রভাষক সুয়েব কৃষকের ধানের ন্যায্য মূল্য দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, গত বছর ধানের মূল্য না পাওয়ায় ৪০% জমি অনাবাদি থেকে যায়। কিছু অসাধু নেতা, কর্মকর্তার ধাপ্পাবাজি করে কৃষকদের ফাঁদে ফেলে কৃষকদের প্রতারিত করে। ২০১৭ সালে অসাধু ঠিকাদার ও কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারণে হাওরের সকল ধান তলিয়ে গেলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাওরবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। ৩০ কেজি চাল ও নগদ ৫০০ টাকা করে মাসিক দিয়েছিলেন। আমি কৃষক হিসেবে আমার ছোট ভাই জামালগঞ্জ কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক ও ধর্মপাশা উপজেলা যুবলীগের নেতা মোহাম্মদ আবু তৌহিদ জুয়েলের নামে খাদ্য সহায়তা কার্ড ছিল। বিগত ২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর ঘাতকদের আঘাতে খুন হওয়াতে আমার সহায়তা ভাতা বন্ধ করে দেয়। আমি বছরে ১০০০-১৫০০ মন ধান পাই। কিন্তু এ বছর এক ছটাক ধান পাইনি। পরে জানতে পারি প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে আমি সহ হাজার হাজার মানুষের টাকা ও চাল লুটপাট করে নেয়। ভোটার আইডি কার্ডের মাধ্যমে হরি লুট করে নেয়। যে সকল স্থানীয় জনপ্রতিনিধির ঘরের ভিটা ছিলনা তারা আজ দালান বাড়ি ও অনেক সম্পত্তির মালিক। দুর্যোগ আসলেই রাতারাতি বড়লোক বনে যায়। তদন্ত করে এসকল কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানান।

আওয়ামীলীগ নেতা সুয়েব সেনাবাহিনী , প্রশাসন ও শিক্ষকদের দিয়ে ত্রাণ কমিটি করে ত্রাণ বন্টন এবং কৃষকের ধান সরকারিভাবে কেনার জন্য এবং অসাধু মিল মালিক, দালাল, ডিলার ও কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে জোর দাবি করেন। প্রধানমন্ত্রীর স্নেহভাজন জননন্দিত নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এমপি হাওরবাসীর অনেক উন্নয়ন করেছেন। তাঁর ডায়নামিক নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃৃবৃন্দ হাওরবাসীর পাশে থেকে কাজ করে চলেছে।

কৃষক ধান উৎপাদন করে। তাই কৃষকের ধান সরকারিভাবে ক্রয় এবং হাওর এলাকায় উন্নতমানের রাইস মিল স্থাপন করলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে চাল রপ্তানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুর্দা অর্জন করা সম্ভব। যারা চাল কিনার পরামর্শ দেয় তারা চালকলের মিলের দালাল। দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসেরন প্রতি দাবী জানান।

প্রভাষক সুয়েবুর রহমান সুয়েব প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে পবিত্র রমজান মাসে ঘরে বসে ইবাদত ও নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য হাওরবাসীদের অনুরোধ জানান। সমাজের বিত্তবানদের এ মহামারিতে সহযোগিতা করার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।