September 23, 2021

Sylhet Amar Sylhet

www.sylhetamarsylhet.com

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী থিওডোর রুজভেল্টে।

করোনা: বিশ্ব কাঁপানো মার্কিন রণতরী থেকে বাঁচার আকুতি

অনলাইন ডেস্ক :

বিশ্ব কাঁপানো মার্কিন রণতরীতে অবস্থানরত নাবিকরা এবার নিজেই কেঁপে উঠেছেন প্রাণঘাতী কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসের ভয়ে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী থিওডোর রুজভেল্টে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে এবং নাবিকদের জীবন বাঁচানোর আহবান জানিয়েছে এক ক্যাপ্টেন।

করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার আহবান জানিয়ে লেখা চার পাতার এক চিঠির মাধ্যমে এমন আহবান জানানো হয়েছে বলে মঙ্গলবার রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা। রণতরীটির কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন ব্রেট করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট এক অপ্রিয় পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে রণতরীটির নাবিকদের বাঁচানোর জন্য আহবান জানিয়েছেন তার চিঠির মাধ্যমে। চিঠিটির খবর প্রথম জানিয়েছেল সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকল।

রণতরীটির কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন ব্রেট ক্রোজিয়ার চিঠিতে লিখেছেন, জাহাজটিতে কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশন সুবিধার ঘাটতি রয়েছে। তিনি সতর্কতার কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, বর্তমানে করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় যে কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে তা ভাইরাসটিকে সমূলে উৎপাটন করতে ব্যর্থ হবে।

একই সঙ্গে সেই চিঠির মাধ্যমে থিওডোর রুজভেল্ট রণতরীটি থেকে কমপক্ষে ৪ হাজার জনবল সরিয়ে নিয়ে তাদের আইসোলেশনে রাখার কথা জানিয়েছেন ক্যাপ্টেন। আর রয়টার্স জানায়, মার্কিন রণতরীটিতে আমেরিকার একটি ছোটখাটো শহরের মতো অন্তত ৫০০০ জনবল রয়েছে।

রণতরীটির কমান্ডিং অফিসার ক্যাপ্টেন ব্রেট ক্রোজিয়ার বাঁচার আবেদন জানিয়ে লিখেছেন, আমরা কোন যুদ্ধরত অবস্থায় নেই। সুতরাং আমাদের নাবিকদের জীবন দেওয়ারও কোন দরকার নেই। আমরা যদি এখনেই কার্যকর পদক্ষেপ না নেই তাহলে আমরা আমাদের নাবিকদের পরিপূর্ণ যত্ন নিতে ব্যর্থ হবো।

রণতরীটির এক মার্কিন কর্মকর্তা সেখানের অবস্থা জানিয়ে রয়টার্সকে বলেছেন, মার্কিন ওই রণতরীটিতে ৮০ জনের মতো মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এই সংখ্যাটা আরো বেশি হবে যদি জাহাজের সকলের পরীক্ষা করা হয়।

তবে এখন পর্যন্ত সেখানে কতজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রয়েছেন তার সঠিক খবর দিচ্ছেনা নৌ বাহিনী। এক সপ্তাহ আগে যখন এটি প্যাসিফিকে ছিল তখন এখানে প্রথম একজন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছিল।

এদিকে সেই চিঠিটি এখনও পুরোপুরি পড়েননি উল্লেখ করে মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক সচিব মার্ক এসপার বলেছেন, এখনেই রণতরীটি সম্পূর্ণ খালি করার সময় হয়নি।