September 19, 2021

Sylhet Amar Sylhet

www.sylhetamarsylhet.com

পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ : চোরাকারবারীর তথ্য প্রশাসনকে জানিয়ে দেয়ায় মিথ্যা মামলার শিকার সাহেদ

কানাইঘাটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে চোরপথে মাদক সহ অন্যান্য অবৈধ মালামাল আদান-প্রদানকারীর তথ্য প্রশাসনে ফাঁস করে দেয়ায় মিথ্যা মামলার শিকার সোনাতনপুঞ্জির ইসমাইল আলীর ছেলে সাহেদ আহমদ। ২ মার্চ সোমবার সাহেদ আহমদের বড়ভাই মোঃ আলম আহমদ বাদী হয়ে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে এ সম্পর্কিত লিখিত একটি অভিযোগ দাখিল করেন।

ঘটনার বিবরণে আলম আহমদ বলেন, গত ২৮ফেব্রুয়ারি রাত ১১টায় স্থানীয় বাদশা বাজারের রাস্তায় ভারত থেকে চোরা পথে আনা অবৈধ মালামাল স্থানীয় বিজিবি ক্যাম্প কর্মকর্তার হাতে আটক হয়। এ ঘটনার জের ধরে বিবাদী কানাইঘাট থানার সিংগারীপার এলাকার বাউরভাগ ১ম খন্ডের হাসিম মিয়ার ছেলে হেলাল (২৪), ফয়াজ (২৭), নুর আহমদ (৩০) এবং সোনাতনপুঞ্জির ফরমান আলীর পুত্র হানিফ আলী (৩৮) সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন কলোবাজারী উপস্থিত সাহেদ আহমদকে তথ্য পাচারকারী হিসেবে সন্দেহ করেন।

এরই জের ধরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সাহেদ আহমদ স্থানীয় বাদশা বাজার হতে নিজ বাড়ির দুটি গরু বিক্রি করে নগদ টাকা ৮০ হাজার সঙ্গে নিয়ে নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। ফিরার পথে উল্লেখিত বিবাদীগণ তাকে রাস্তায় পেয়ে আটক করে মারপিটে আহত করে এবং তার সঙ্গে থাকা মোবাইল সেট সহ নগদ ৮০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। পরে তাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে বিবাদীরা ভারতীয় মদের ব্যাগ জোরপূর্বক সাহেদের হাতে ধরিয়ে দিয়ে তারা কানাইঘাট থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে সাহেদকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। থানার এস.আই পার্থ সারথী দাস বাদী হয়ে একমাত্র সাহেদকে আসামী করে থানায় একটি মামলা রুজু করেন। মামলা নং-২৫।

এরপর ২ মার্চ মিথ্যা সাজানো মামলার শিকার সাহেদ আহমদের বড় ভাই মোঃ আলম আহমদ বাদী হয়ে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।