October 23, 2021

Sylhet Amar Sylhet

www.sylhetamarsylhet.com

মাজনুন মিজান। ছবি: সংগৃহীত

এই সময়ে সিনেমার প্রচারণা নিয়ে খামখেয়ালির সুযোগ নেই

অভিনেতা মাজনুন মিজান। ছোটপর্দা বা বড়পর্দা দুই অঙ্গনে নিজের অভিনয়ের মুন্সিয়ানার ছাপ রেখেছেন বহুবার। শিগগিরই মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘গণ্ডি’। এছাড়া আরো দুটি সিনেমার রয়েছে মুক্তির অপেক্ষায়। ‘গণ্ডি’ মুক্তি নিয়ে বিভিন্ন প্রসঙ্গের পাশাপাশি সিনেমার অন্যান্য প্রসঙ্গ ও বিশেষ দিবসের ব্যস্ততা নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু

 

চলতি সপ্তাহে আপনার অভিনীত ‘গণ্ডি’ সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে। শুরুতে মুক্তির প্রসঙ্গে জানতে চাই—

৭ ফেব্রুয়ারি দেশের ১৮ থেকে ২০টি হলে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। এর দুইদিন আগে সিনেমাটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে সিনেমার সকল কলাকুশলিরা উপস্থিত থাকবেন। এখানে উপস্থিত হতে আগামীকাল (আজ) সব্যসাচী ঢাকায় আসবেন।

আমাদের দেশের সিনেমার প্রচারণা নিয়ে প্রযোজক ও পরিচালকদের মধ্যে এখনো খামখেয়ালি দেখা যায়। ‘গণ্ডি’র প্রচারণা নিয়ে আপনারা কতটুকু এগিয়েছেন?

আসলে এই সময়ে সিনেমার প্রচারণা নিয়ে খামখেয়ালির সুযোগ নেই। একজন সচেতন প্রযোজক বা পরিচালক কখনো চাইবেন না সিনেমা প্রচারণার জন্য পিছিয়ে যাক। কারণ আমাদের দর্শক এখন অনেক ব্যস্ত। কোন সিনেমা কখন মুক্তি পাচ্ছে সেই খবর নেওয়ার সময় দর্শকদের নেই। দর্শকদের কাছে আমাদের পৌঁছাতে হবে। সিনেমাটি যে আসছে সেটি বারবার মনে করিয়ে দিতে হবে দর্শকদের। ‘গণ্ডি’ নিয়ে আমরা বেশ ভালোভাবেই প্রচারণা করছি। ডিজিটাল প্রচারণা, আর্টিস্ট ও ডিরেক্টরের বিভিন্ন ইন্টারভিউ এসবকিছুই নিয়মিত চলছে।

যেই গল্পে ‘গণ্ডি’ নির্মিত হয়েছে, আমাদের সামাজিক অবস্থান থেকে এই ধরনের গল্পের সিনেমা দর্শকরা কীভাবে গ্রহণ করবেন মনে করেন?

আমাদের দর্শক এখন পুরো বিশ্বের সিনেমা দেখে অভ্যস্ত। এখানে শেষ বয়সে দুটি মানুষের মধ্যে একটি সম্পর্কের গল্প দেখানো হয়েছে। এই ধরনের গল্প দেখে আমাদের দর্শকরা অভ্যস্ত। হয়তো আমাদের দেশে এই ধরনের গল্প প্রথম। আর সব সিনেমার সব দর্শকদের ভালো লাগবে না এটাও স্বাভাবিক। তবে আমি বলবো ‘গণ্ডি’ সব ধরনের দর্শকদের জন্য নির্মিত।

সব্যসাচীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

বেশ ভালো আসলেই। শুধু গুণী অভিনেতা হলেই হয় না, শিল্পীদের মন বড় হতে হয়। সব্যসাচী এমনই একজন মানুষ। তার বিনয় যেকোনো সহশিল্পীকে মুগ্ধ করবে। এত বড় মাপের একজন শিল্পী হয়েও সহশিল্পীদের প্রতি তার যে সম্মানবোধ সেটি মনে থাকবে আজীবন। এছাড়া অভিনয়ের অনেককিছু শিখেছি। আর বেশকিছু স্মৃতি জমা হয়েছে তাকে ঘিরে। এটিও আনন্দের বিষয়।

সিনেমা নিয়েই আপনাকে এখন বেশি সিরিয়াস মনে হচ্ছে। আপনি কী বলবেন?

সিনেমা নিয়ে সবসময় সিরিয়াস। এখন অনেকটা নিয়মিত বলা যায়। কারণ যেকটি সিনেমা এখন পাচ্ছি সেগুলো ব্যাটে বলে মিলে যাচ্ছে। সেজন্যই কাজ করা। নিয়মিত সিনেমা পেলে নিয়মিতই কাজ করতে চাই। তবে এমন কিছু কাজ করতে চাই যেগুলোতে অভিনয় করে নিজে তৃপ্ত হবো। আরো দুটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে এরমধ্যে রয়েছে ‘মিশন এক্সট্রিম’ ও ‘রাত জাগা ফুল’।

সামনে বেশ কয়েকটি বিশেষ দিবস রয়েছে। সেই ব্যস্ততা কেমন চলছে?

ভালোবাসা দিবসের একটি কাজ করলাম। ভাষা দিবসের একটি কাজের কথা হয়েছে। এগুলো নিয়েই ব্যস্ততা। এছাড়া নিয়মিত কিছু সিরিয়াল তো করছি।