September 23, 2021

Sylhet Amar Sylhet

www.sylhetamarsylhet.com

নিজ লক্ষণাবন্দ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থী সংবর্ধনা

গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের নিজ লক্ষণাবন্দ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় আয়োজিত অভিভাবক ও কৃতি ছাত্র-ছাত্রী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ২ ফেব্রুয়ারি রোববার অনুষ্ঠিত হয়।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফজলুল করিম ফয়ছল এর সভাপতিত্বে এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মকসুদুল করিম ও লক্ষণাবন্দ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক আক্তার হোসেন এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গোলাপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট ইকবাল আহমদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বদরুল ইসলাম শোয়েব।
লক্ষণাবন্দ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবুল মিয়ার স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, লক্ষণাবন্দ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া, লক্ষণাবন্দ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি আতিকুর রহমান, সূর্যদোয় কিন্ডারগার্টেন ও জুনিয়র বিদ্যালয়ের সভাপতি অলিউর রহমান শামীম, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী ক্বারী তোফায়েল আহমদ জিলু, চিত্রশিল্পী মাহবুবুর রহমান রাজু, চৌধুরী বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আব্দুল মালিক, লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ মিলাদ শাহরিয়ার, গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা বদরুল ইসলাম দূর্জয় ও আবিদুর রহমান কামাল।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আশরাফুজ্জামান আশু, লক্ষণাবন্দ ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল আহাদ ফারুক মিয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষানুরাগী এমাদ উদ্দিন, জাকির আহমদ চুনু, মাহিন আহমদ, আব্দুস সামাদ আজাদ, সাদ্দিক আহমদ, সাহেল আহমদ, নাহিদুজ্জামান অভি, টিপু আহমদ সহ অভিভাবকবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহাত আহমদ।
সভায় বক্তারা বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ ও শিক্ষার গুনগত মানবৃদ্ধির লক্ষ্যে অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময় অতিব জরুরী। জাতিকে শিক্ষিত করে তুলতে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। বক্তারা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি বৃদ্ধি, স্কুল পলায়ন বন্ধে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেন। আগামীতে মায়েরা আরো বেশি যত্নবান ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে দেশকে নিরক্ষর মুক্ত করে উন্নতশীল রাষ্ট্রে পরিণত করবেন বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।