১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা মঈনউদ্দিন খান বাদলের মৃত্যুতে ছাত্র মৈত্রী’র শোক প্রকাশ

১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা, মুক্তিযোদ্ধা, বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও পার্লামেন্টারিয়ান মঈনউদ্দিন খান বাদল আর নেই। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) ভোরে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
জোটের শীর্ষ নেতা মঈনউদ্দিন খান বাদলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোক সন্তুপ্ত পারিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি স্বপন দাস ও সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা চৌধুরী।
এক শোক বার্তায় বলেনঃ- সংসদ সদস্য বাদলের ছোট ভাই মনির খানের মাধ্যমে জানা যায়, দুই বছর আগে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন বাদল। হার্টেরও সমস্যা ছিল। দুই সপ্তাহ আগে নিয়মিত চেকআপের জন্য তাকে ভারতে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
বাদলের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার সারোয়াতলী গ্রামে। তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে আছে মঈনউদ্দিন খান বাদলের।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশের কার্যকরী সভাপতি ছিলেন বাদল। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে তিনি তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদে অনলবর্ষী বক্তা হিসেবে খ্যাতি পান তিনি।
ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা বাদল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বাঙালিদের ওপর আক্রমণের জন্য পাকিস্তান থেকে আনা অস্ত্র চট্টগ্রাম বন্দরে সোয়াত জাহাজ থেকে খালাসের সময় প্রতিরোধের অন্যতম নেতৃত্বদাতা ছিলেন বাদল।
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাদল সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। জাসদ, বাসদ হয়ে পুনরায় জাসদে আসেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল গঠনেও বাদলের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল বলে উল্লেখ করেছেন।