ক্বীনব্রীজ খোলে দেওয়া না হলে দক্ষিণ সুরমাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে ব্রীজ খোলতে বাধ্য করবে

পরীক্ষা শুরুর আগেই ছাত্রছাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে সিলেট নগরীর প্রবেশ দ্বার হিসেবে খ্যাত ঐতিহ্যবাহী কীনব্রিজ খোলে দেয়ার জন্য, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী’র পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্তের কোন অগ্রগতি না হওয়ায় বিক্ষুব্ধ অভিভাবক, ব্যবসায়ী, ভুক্তভোগী জনসাধারণ ও দক্ষিণ সুরমাবাসীকে নিয়ে এক মতবিনিময় সভা ৬ অক্টোবর রাতে ক্বীনব্রিজ সংলগ্ন মৌবন মার্কেটের সামনে অনুষ্ঠিত হয়।
স্টেশনরোড ব্যবসায়ী সমিতির সহ সভাপতি হাজী আব্দুস ছত্তারের সভাপতিত্বে সিলেট উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি আলী আহমদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ভার্থখলা পঞ্চায়েত কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, ২৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরুল, বিশিষ্ট মুরব্বী হাজী আব্বাস উদ্দিন জালালী, ব্যবসায়ী শাহিন আহমদ, আক্তার হোসেন, ভার্থখলা স্বর্ণালী সংঘের সভাপতি শিপল চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এসএম শাহজাহান, আব্দুল হাই শ্যামল, ব্যবসায়ী মহি উদ্দিন দারা, উমরাদুল হক চঞ্চল, শামীম আহমদ, জাবেদ আহমদ, সোহেল আহমদ, ঝালোপাড়া সূর্যমূখী যুব সংঘের সাবেক সভাপতি আমজাদ পারভেজ, জালালাবাদ সূর্যমূখী যুব সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদী কোমল, আরমান মাহমুদ, জহির রায়হান খোকন, বরইকান্দি ইয়ং ফ্লাওয়ার ক্লাবের সভাপতি জসিম উদ্দিন শিমুল, সাবেক সভাপতি দিলওয়ার হোসেন রানা, সমাজ সেবী আব্দুল বারি সুজন, কদমতলী স্বর্ণশিখা ক্লাবের সভাপতি রেজা আহমদ, সিলেট জেলা তাতীলীগের আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন, জাকির হোসেন, শ্রমিক নেতা আব্দুল মালিক তালুকদার, খোজারখলা আদর্শ সমাজ কল্যাণ সংঘের সভাপতি আকমল আলী মালাই, সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সহ সাধারণ সম্পাদক লাহিন আহমমদ রুহেল, সমাজ সেবা সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ, টার্মিনাল রোড ব্যবসায়ী সমিতির ছালিক খান, সমাজ সেবী কাওছার আহমদ, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, সালমান আহমদ, আজমল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, সুহেদ আহমদ, নোমান হোসেন, মেহেদী হাসান, তোফায়েল আহমদ কচি সহ দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন স্থরের নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ক্বীণ ব্রীজ খোলে দেওয়ার আশ্বাস প্রদানের ১৭দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত ব্রীজ খোলে দেওয়া হয়নি। ব্রীজ বন্ধ থাকার কারনে শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী, জনসাধারণ ও দক্ষিণ সুরমাবাসী প্রতিনিয়ত যাতায়াতে দুর্ভগ ও কষ্ট পোহাতে হচ্ছে। অনতিবিলম্বে ব্রীজ খোলে দেওয়ার জোর দাবী জানান। বক্তারা হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন, সংস্কার কাজ না করে এভাবে ব্রীজ বন্ধ রাখা হলে দক্ষিণ সুরমার সর্বস্তরের জনসাধারণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে ব্রীজ খোলতে বাধ্য করবে। সভায় ব্রীজ খোলে দেওয়ার দাবীতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, সিলেট সিটি মেয়র, সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য গত ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ সুরমায় কীনব্রিজের মুখে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত হয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনা করে হাল্কা যানবাহান চলাচলের জন্য অচিরেই কীনব্রিজ খোলে দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন। আশ্বাস দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত ব্রীজ খোলে না দেওয়ায় দক্ষিণ সুরমাবাসী ক্ষুদ্ধ।