গ্যাস কোম্পানীর লুটেরাদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার করে ভর্তিকী সমাধান করুন— গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদ

প্রতিকী

গ্যাস বিদ্যুৎ গ্রাহক কল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক অধ্যক্ষ লে: কর্ণেল (অব.) এম আতাউর রহমান পীর, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নাছির উদ্দিন এডভোকেট, যুগ্ম আহবায়ক ইকবাল হোসেন চৌধুরী, সদস্য সচিব জননেতা মকসুদ হোসেন এক বিবৃতিতে গত ১০ জুন বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রিন্ট মিডিয়ায় জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্ম দিবসে সাংবাদিকদের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে গ্যাসের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত করায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই ইঙ্গিতের ফলে দেশের লক্ষ লক্ষ অসহায় স্বল্প আয়ের গ্যাস গ্রাহকদের মধ্যে আতংক দেখা দিয়েছে।

গত মার্চ মাসে গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে অত্র সংগঠন সহ দেশের বিভিন্ন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। অত্র সংগঠন এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি না করার ব্যাপারে ও ভর্তিকী আদায় করার বিষয় সম্পর্কিত একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়। জনমতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে সেই সময়ে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয় নাই।

কিন্তু গত ৯ জুন প্রতিমন্ত্রীর গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির ইঙ্গিতের প্রেক্ষিতে দেশবাসী খুবই হতবাক। মার্চের শেষের দিকে মহামান্য হাইকোর্ট একটি রীটের প্রেক্ষিতে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি প্রক্রিয়া বন্ধ করে গ্যাস খাতে দুর্নীতি বন্ধের জন্য রায় দিয়েছেন।

হাইকোর্ট আরো বলেছেন, সরকারের বড় দায়িত্ব হলো মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের উপর থেকে বাড়তি কর ও মূল্যের বোঝা কমানো। গ্যাস খাত লাভজনক হওয়া সত্ত্বেও কেন বার বার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির চক্রান্ত গ্যাস গ্রাহক ও দেশবাসী মেনে নিতে পারে না।

নেতৃবৃন্দ গ্যাস কোম্পানীর লুটেরাদের কাছ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উদ্ধার করে গ্যাস খাতে ভর্তিকীর সমস্যা সমাধান করার জন্য জ্বালানী ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের প্রতি জোর দাবী জানান।

গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির পায়তারা বন্ধ না করা হলে অত্র সংগঠন রাজপথে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবে। এই বিষয়ে পাড়া-মহল্লা, সামাজিক সংগঠনগুলোকে স্ব স্ব ব্যানারে প্রতিবাদ করার জন্য সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের প্রতি আকুল আহবান জানান।