ফেঞ্চুগঞ্জে এসিল্যান্ড সঞ্চিতা কর্মকারের সৃষ্ট সমস্যার মিমাংসা করলেন এমপি

লাথি দিয়ে মাছ ব্যবসায়ীর মাছ ফেলে দেওয়ার ঘটনার সমাধান হয়েছে।  সোমবার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বিষয়টি মিমাংসা করেন সিলেট ৩ আসনের সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার আয়েশা হক, এসিল্যান্ড সঞ্চিতা কর্মকার, মাইজগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল বাসিত, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম মুরাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা ইয়াসমিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী, ফেঞ্চুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান, ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বনিক সমিতির আহবায়ক আব্দুল বারী, আওয়ামী লীগ ও মৎস্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।

আলোচনার মাধ্যমে মৎস্য ব্যবসায়ী ও এসিল্যান্ডের সৃষ্ট সমস্যা সমাধান করে সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী বলেন, আগামীতে মৎস্য ব্যবসায়ীদের জন্য জায়গা নির্ধারণ করে দিবেন। এ সময় সমাধানে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন মৎস্য ব্যবসায়ী হাসান মিয়া ও লায়েক আহমেদ।

প্রসঙ্গত, গত ১২ই মে রাগান্বিত হয়ে মাছ ব্যবসায়ীর মাছ লাথি দিয়ে ফেলে দেন এসিল্যান্ড সঞ্চিতা কর্মকার। পরবর্তী বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমে আসলে সমালোচনা উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও। পরে উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাজি বদরুদ্দোজা সহ এসিল্যান্ড অফিসে বিষয়টি নিস্পত্তি হয়েছে বলে জানালে তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী মাছ ব্যবসায়ীরা।

পরে তারা সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরীর দ্বারস্থ হলে আজ উভয়ের উপস্তিতিতে ঘটনার মিমাংসা করে দেন সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী।