চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিলেটের পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী মতবিনিময় সভা

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আহমেদ বলেন দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের পাশাপাশি প্রশাসনিক খাতেরও উন্নয়ন করতে হবে। এ লক্ষে আমাদের সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটগণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আদালত চত্বরের নিরাপত্তা বিধান জোর করতে হবে যাতে করে বিচার প্রার্থীরা ন্যায় বিচার পায়। তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণে বিলম্বের কারণে মামলার রায় পিছিয়ে যায়। তাই দ্রুত নির্ভুল তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণে আহবান জানান। পাশাপাশি ইনবেস্টিগগেশন এর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে। এছাড়াও মামলার জটিলতা দূর করতে এবং মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সময়মত মেডিকেল সার্টিফিকেট, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন, ফরেনসিক রিপোর্ট প্রদান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।

তিনি ১১ মে শনিবার সকালে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিলেট এর সম্মেলন কক্ষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সিলেট আয়োজিত পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসী মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

নিবন্ধ উপস্থাপক ফোকাল পার্সন সিনিয়র চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাঁকন দে এর সঞ্চালনায় মতিবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডাঃ মোঃ শামছুল ইসলাম, ইএমও ডাঃ সুপার্থ ভট্টাচার্য্য, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সিলেটের উপ-পরিচালক মলয় ভূষণ চক্রবর্তী, সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস.এম সাজ্জাদ হোসেন, সরকারি আইন কর্মকর্তা বিপ্লব কান্তি দে মাধব, পিবিআই সিলেটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সারোয়ার জাহান, সিলেটের প্রবেশন অফিসার মোঃ তমির হোসেন চৌধুরী।

উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবু ওবাইদা, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল হালিম, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ, অঞ্জন কান্তি দাস, শারমীন খানম নীলা, সুলেখা দে ও লায়লা মেহের বানু, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার হোসেন সাগর, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মঈনুল আহসান, কোর্ট ইন্সপেক্টর মোঃ জালাল উদ্দীন ভুইয়া, ইন্সপেক্টর মোঃ আব্দুল আওয়াল, সহকারী পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন, এ.এস.পি মোঃ আব্দুল করিম, গোয়াইনঘাট থানার এ.এস.পি মোঃ নজরুল ইসলাম পিপিএম, গোলাপগঞ্জ সার্কেলের এডিশনার এসপি মোঃ লুৎফর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দিলীপ কান্ত নাথ, ওসমানী নগর সার্কেলের এডিশনার এসপি মোঃ সাইফুল ইসলাম, বালাগঞ্জ থানার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আব্দুল হান্নান চৌধুরী, জৈন্তাপুর মডেল থানার ওসি খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির, ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান, বিয়ানীবাজার থানার ওসি অবনী শংকর কর, কানাইঘাট থানার ওসি মোঃ আব্দুল আহাদ, ওসমানীর নগর থানার ওসি এস.এম আল মামুন, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ তাজুল ইসলাম পিপিএম, গোয়াইনঘাট থানার ওসি মোঃ আব্দুল জলিল, বিশ^নাথার ওসি মোঃ শামসুদ্দোহা পিপিএম, জকিগঞ্জ থানার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ সালাহ উদ্দিন, জেলা গোয়েন্দা শাখা (উত্তর)’র ওসি সাইফুল আলম, পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মিজানুর রহমান, বালাগঞ্জ থানার এসআই মোঃ কামরুল হোসাইন, পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পুলিশ পরিদর্শক মীর মোঃ আব্দুন নাসের, শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ অহিদুজ্জামান, জয়কলস হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোঃ শামসুল হক, ডেপুটি জেলার হাবিবুর রহমান, ব্লাস্ট জি১২ জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা সত্যজিৎ কুমার দাস।