Main Menu

ইলিশের করিডোর তৈরি করছে ভারত

বিশেষ ইলিশ করিডোর তৈরি করেছে ভারত। ভরাবর্ষাসহ ইলিশের প্রজননের তিন মৌসুমেই যাতে ভারতে জাটকা ঢুকতে পারে সে লক্ষ্যে ফারাক্কা বাঁধে এ বিশেষ লক সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে। নতুন নেভিগেশন লকটি আগামী জুন মাস নাগাদ চালু করা হবে। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে রাত ১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত ফারাক্কা বাঁধের আট মিটার গেট খুলে দেওয়া হবে, যাতে জাটকা ভারতে ঢুকতে পারে। ওই সময়ে জাটকা বিচরণ করে।

ভারতীয় প্রভাবশালী ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ প্রকল্প তৈরিতে ৩৬১ কোটি রুপি খরচ করেছে ভারত। ভারতের কিছু গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, সত্তরের দশকে ফারাক্কা বাঁধ তৈরি হওয়ার আগে পর্যন্ত ভারতের এলাহাবাদ পর্যন্ত পৌঁছে যেত ইলিশ। তবে এখন না যাওয়ার কারণ হিসাবে ভারত এখানকার নেভিগেশন লকের ওপরেই দায় চাপাচ্ছে। সম্প্রতি এ লকের নকশা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আবারো ভারতের এলাহবাদ পর্যন্ত ইলিশ পৌঁছাবে বলে মনে করছে ভারতীয় গবেষকরা। এ নতুন নকশার মাধ্যমে প্রজননের সময় ইলিশের যাতায়াতে বাধা থাকবে না।

বিষয়টি নিয়ে ইনল্যান্ড ওয়াটারওয়ে অথরিটি অব ইন্ডিয়ার ভাইস চেয়ারম্যান প্রবীর পান্ডে জানিয়েছেন, রাত ১টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে আমরা আট মিটার পর্যন্ত গেট খুলে দেব। ওই সময়েই ইলিশ যাতায়াত করে। আইসিএআরসি সেন্টার ইনল্যান্ড ফিশারিজ রিসার্চ ইনস্টিটিউট, কেন্দ্রীয় ওয়াটার কমিশন ও ফারাক্কা ব্যারেজ প্রজেক্ট অথরিটির সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিজেদের নকশা করায় ১০০ কোটি রুপি সাশ্রয় হয়েছে।

এ দিকে ভারতের জাহাজশিল্প মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেছেন, ইলিশের এ অভিবাসন প্রক্রিয়ায় এ অঞ্চলে ইলিশের উত্পাদন বাড়বে। নদীর বৈচিত্র্য বাড়বে এবং মত্স্য অর্থনীতি বাড়বে। নেভিগেশন লক সিস্টেম হচ্ছে একটি ব্যবস্থা, যা নদী বা খালে পানির উচ্চতার তারতম্যের কারণে জাহাজ বা নৌকাকে প্রয়োজন মতো উঁচু বা নিচু করে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব পার করে দিতে সাহায্য করে।






Related News

Comments are Closed