Main Menu

প্রযুক্তি ও কৃষিক্ষেত্রে সিলেটের অসাধারণ উদ্ভাবক বাবলা

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমার লাউয়াই নিজ বাসায় বিলীন প্রজাতির নালিম নামক একটি ফল ও সবজি চাষ করেছেন বৃক্ষ, পরিবেশ ও কৃষি প্রযুক্তি গবেষণার উদ্ভাবক আব্দুল হাই আজাদ বাবলা। ২০১৮ সালের নতুন বিলীন প্রজাতির একটি ফল ও সবজি খাদ্য তালিকায় সংযোগ করার লক্ষ্যে বাবলা গবেষণা করে যাচ্ছেন। এই সবজি ও ফল বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন নামে পরিচিত। কিন্তু সিলেটের এই ফলের নামও অনেকে জানেন না। এই ফল কোন জায়গায় কাকড়ি নালিম, চিনা তাইর, চিনা ও চিন্দ্রা নামে পরিচিতি।
২০১৮ সালে ড্রাগন ফল জনপ্রিয় হওয়ায়, ড্রাগন ফল গাছের হোল্ডার উদ্ভাবন করেন তিনি। গত ২ মাস নালিম গাছের চারা রোপণ করেন গবেষণার লক্ষ্যে। দোআঁশ মাটিতে গাছের পরিচর্যা শেষে নালিম গাছে ফল এসেছে।
বাবলা যশোহর ও কুমিল্লা থেকে নালিমের বীজ এনে সম্ভাবনা যাচাই করার লক্ষ্যে গবেষণার মাধ্যমে ফলন পেয়েছে।
বৃক্ষ ও পরিবেশ গবেষণা ছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সিলেটে আব্দুল হাই আজাদ বাবলা এক অসাধারণ উদ্ভাবক। তার তৈরী যন্ত্রগুলো হচ্ছে- বর্জ্য থেকে সার সংগ্রহের সেপারেটার, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এটুআই প্রকল্পের পুরস্কৃত ডিভাইস ড্রেন থেকে সার সংগ্রহের যন্ত্র, পরিবেশ সুন্দর সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন ছোট-বড় ডিভাইস তৈরী করেছেন, বার বার ব্যবহার যোগ্য নিরাপদ চারা বেস্টনী, গাছের নিচের পাতা সরানের যন্ত্র, চারা রোপণ করার গর্ত তৈরির যন্ত্র, গর্তে সার মিশ্রণ করার যন্ত্র, স্বল্প ব্যয়ে ভুট্টা মাড়ায় যন্ত্র, পানি সাশ্রয়ী ফুল ও সবজি গাছে পানি দেয়ার পদ্ধতি, নারিকেল কুরানী, ড্রাগন ফল গাছের হুল্ডার ইত্যাদি। এযন্ত্রগুলো সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত প্রযুক্তিবিদ, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার এটুআই প্রকল্পের পুরস্কার প্রাপ্ত আব্দুল হাই আজাদ বাবলা ও তার ছেলে তানজিদ আহমেদকে নিয়ে গবেষণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে প্রযুক্তিবিদ আব্দুল হাই আজাদ বাবলা বলেন, গবেষণার মাধ্যমে খাদ্য তালিকায় নতুন নালিম নামে একটি ফল ও সবজি সংযোগ করার চেষ্টা করছি। এ ফল দোআঁশ মাটি ও নদীর তীরের মাটিতে চাষ করলে কম সময়ে ভাল ফলন পাওয়া যাবে। নালিম নামক ফলটি বার মাস চাষ করা যায়। কৃষকরা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে এফলটি চাষ করলে কম খরচে ও কম সময়ে লাভবান হতে পারবেন। তিনি বলেন ২০১৮ সালে সিলেট জেলা পরিষদের উদ্যোগে যন্ত্রপাতি উদ্ভাবনী কাজের জন্য আমাকে ১ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়। এতে কয়েকটি যন্ত্র উদ্ভাবন করেছি। এভাবে সরকারের পাশাপাশি প্রবাসীরাও যদি আমাকে আর্থিক সহযোগিতা করেন তবে এ কৃষি গবেষণা কার্যক্রম অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো। যার ফলে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।






Related News

Comments are Closed